মুরগির খামারে এক বছরেই সফলতা অর্জন পঞ্চগড়ের রিপনের
পরিশ্রম, দৃঢ় সংকল্প ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মাত্র এক বছরেই বড় পরিসরের খামার গড়ে তুলেছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হারিবাসা ইউনিয়নের জোদবাহাদীপাড়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা মো. মাহাফিজুল ইসলাম রিপন। এক বছর আগে মাত্র ৫০টি ফাওমি মুরগি নিয়ে খামার শুরু করলেও এখন তার “রিপন এগ্রো ফার্ম”-এ রয়েছে ১,৫০০টির বেশি মুরগি।ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:রিপন জানান, “আমার লক্ষ্য আরও বড় পরিসরে খামার পরিচালনা করা। যদি কোনো সরকারি অনুদান পাই, তাহলে ৪ থেকে ৫ হাজার ডিম পাড়া উপযোগী মুরগির জন্য একটি আধুনিক শেড তৈরি করব। সেখান থেকে উৎপাদিত ডিম শুধু নিজের এলাকায় নয়, আশপাশের জেলাগুলোর চাহিদাও মেটাতে পারবে।”পরিবার ও এলাকার সহযোগিতা:রিপনের বাবা মো. রমজান আলী বলেন, “আমাদের পরিবার রিপনের এই ফার্ম নিয়ে গর্বিত এবং তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছি। সে যেন আরও বড় পরিসরে খামার গড়ে তুলতে পারে, সেই কামনাই করি।”এলাকাবাসীরাও রিপনের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। তারা চান, সরকার যেন তাকে অনুদান দিয়ে সহযোগিতা করে, যাতে সে আরও বড় পরিসরে খামার গড়ে তুলতে পারে এবং এলাকার বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। অনেকেই রিপনের সফলতা দেখে উদ্যোক্তা হওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন।উন্নত জাতের ফাওমি মুরগি ১৬ থেকে ১৮ মাস একটানা ডিম দেয়, যা স্থানীয় বাজারে বেশ চাহিদাসম্পন্ন। তাই রিপনের খামার এখন শুধু একটি ব্যবসা নয়, বরং তার স্বপ্ন পূরণের একটি সফল উদ্যোগ।